Chez Roopen‎ > ‎

Prasantada-5


    এবার নেব্রাস্কা থেকে ফোন । প্রশান্তদা ।

    " কিরে দেখেছিস প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ কি বলেছেন? জন্স হপ্কিন্সের অধ্যাপক স্টিভ হ্যানকে বলেছেন , "কি জল পান করে বাবা ভারতীয়রা ! যে মোদী দেশের টাকা আত্মস্যাৎ করলো তাকেই ভোট ? বলিহারি ভারতবর্ষ!"

    "প্রশান্তদা তোমার ওই বিখ্যাত অধ্যাপক কি যেন নাম হ্যানকে প্যানকে দাদাকে বোলো জিম্বাবুয়ে আর সোমালিয়া নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যেতে , ভারতবর্ষ বড়ো বিচিত্র দেশ ! বাল্টি মোড়ে বসে বল চাল না মারাই সুখপ্রদ হবে , তার থেকে ছাত্র পড়ানোয় মন দিন !"

    ...

    " যাই বলিস মোদিভাই তো পাঞ্জাব , মণিপুর আর গোয়ায় লেজে গোবরে হয়ে গেছে -মুদ্রা পুনর্নবীকরণ তো সম্পূর্ণ ব্যর্থ , এবার জয় মা বলে তরী ভাসালেই হয়?"

    "প্রশান্তদা , উত্তর প্রদেশ আর উত্তরাখন্ডকে কি ভাবে ব্যাখ্যা করবেন?"

    " আরে স্রেফ মেরুকরণ রে ! অমিত শাহ হিন্দুত্বের আঠা দিয়ে বর্ণর টুকরোগুলো জুড়ে দিয়েছে -ব্যাস সাইকেলের চাকার হাওয়া ফুস ! কলকাতার কি খবর বল, দোল কেমন চলছে ?"

    "ভালোই খবর , তোমাদের ট্রাম্প সাহেব কবে তোমাকে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছেন , পার্থদা তোমার জন্যে যাদবপুরে একটা অধ্যাপকের চেয়ার খালি রেখেছেন । তবে এখানেও কপালে ভাঁজ, ২০১৯ কি করবে কে জানে?"

    "এই উপেন তোকে বলেছি না ট্রাম্প আর দিদি নিয়ে ফোনে কথা বলবি না ! সিআইএ , এফবিআই এবং কলকাতার সিআইডি সব্বাই আমার ফোন ট্যাপ করে, জলে থেকে কুমিরের সঙ্গে বিবাদ সমীচীন নয় ! ডিস্ক্রিশন ইজ দা বেটার পার্ট অব ভ্যালর ।"

    " যাই হোক, দেশের কথা আর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা একটু ভেবো , বিদায় বন্ধু , শুভ বসন্ত উৎসব ।"




Postscript

    এতো খেলা নয়, খেলা নয়

    এ যে হৃদয়দহন জ্বালা -------

    ধরুন নারদ মুনির দপ্তর থেকে একজন লেফাফাদুরস্ত বদসুরত ব্যক্তি আপনার কাছে এলেন ।
    এবং এসে বললেন আমার পকেটে পাঁচ লক্ষ টাকা ভীষণ কুট কুট করছে , আপনি টাকার বান্ডিলতা গ্রহণ করে আমায় দায়মুক্ত করুন ।...
    কোনো শর্ত নেই ! আপনার কাছে আমি কোনো সুযোগ সুবিধে চাইব না ।
    আপনি এবার স্রেফ পরোপকার করার জন্য টাকাটা নিলেন ।
    এবার তিনি যে কোঁচড়ে ক্যামেরা গুঁজে রেখেছেন তা তো আর আপনি জানেন না ।
    তিনি এবার বৈদ্যুতিন মাধ্যমে দেখালেন তিনি সেধে সেধে দিচ্ছেন আর আপনি নিচ্ছেন !
    দোষটা তাহলে কার? আপনি টাকা চান নি ।
    আপনি কোনো অঙ্গীকার করেন নি ।এবং বলেছেন , এতো অনেক টাকা , কেন মিছি মিছি অপাত্রে দিচ্ছেন । আপনাকে টাকা দেখিয়ে ওই দুষ্টু লোকটা প্রলুব্ধ করলো । আপনার সঙ্গে যারপরনাই প্রতারণা করলো -অপরাধটা তো আসলেই তারই।লুকিয়ে লুকিয়ে ছবি তোলাটা গোপনীয়তা লঙ্ঘন দোষে দুষ্ট ।
    মিডিয়া বাবাজীরা দংশনের খেলা বন্ধ করো !
    চোর বাটপার ছিঁচকে সিঁদেল দুনিয়া চমৎকার ওহে , তাই তল্পি তল্পা তহবিল নিয়ে নারোদেরা হুশিয়ার !
    এ সবই মায়ার খেলা , এ সবই ছলনা , এ সবই ছোট ব্যাপার , এ সবই সাজানো ঘটনা !

Comments